মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১st সেপ্টেম্বর ২০১৯

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কার্যক্রম

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সেল শাখা হতে গৃহীত কার্যক্রমঃ

  • নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংক্রান্ত আইন ও বিধি প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রম;
  • নারী ও শিশু পাচার সংক্রান্ত তথ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ;
  • নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগ/তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থা গ্রহণ;
  • বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রাপ্ত যে কোন নারী ও শিশু নির্যাতন বিষয়ক অভিযোগ প্রতিকারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের অনুরোধ করা হয়;
  • নারী ও শিশু পাচার সংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়;
  • দুঃস্থ মহিলা ও শিশু সহায়তা তহবিল, নির্যাতিত দুঃস্থ মহিলা ও শিশু কল্যাণ তহবিল হতে অনুদান সংক্রান্ত কার্যক্রম;
  • অন্যান্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নারী উন্নয়ন নীতিমালার প্রয়োগে মতামত/তথ্যাদি সরবরাহ;
  • South Asia Initiative to End Violence Against Children (SAIEVAC) সংক্রান্ত কার্যক্রম;
  • ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর সংক্রান্ত কাজ;
  • Child Marriage Action Plan প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম;
  • আইন সহায়তা সংক্রান্ত মাসিক প্রতিবেদন সংরক্ষণ;
  • কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব।

 

জাতীয় মহিলা সংস্থার আওতায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল নামে একটি লিগ্যাল এইড সেল রয়েছে। সপ্তাহে ০২ দিন ০৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির মাধ্যমে নির্যাতিত দুস্থ অসহায় মহিলাদের বিনা খরচায় আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া জেলা উপজেলা পর্যায়ে দুঃস্থ অসহায় মহিলাদের আইঙ্গত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে জেলা আইঙ্গত সহায়তা প্রদান সংস্থায় জাতিয় মহিলা সংস্থা মনোনিত ০২ জন আইনজীবী তালিকাভুক্ত আছে।

যোগাযোগের জন্য জাতীয় মহিলা সংস্থার ওয়েবসাইটে ভিজিট করুনঃ http://jms.gov.bd/

 

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কর্মসূচি

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় ১৯৮৬ সালে নির্যাতিত নারীদের আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের  লক্ষ্যে ১ জন আইন কর্মকর্তার সমন্বয়ে ৪টি পদ নিয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৬ সালেই নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কার্যক্রম জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্প্রসারিত হয়। ইউনিয়ন পর্যায়েও  নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়। এ কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী ও বেগবান করার জন্য জন্য মহিলা সহায়তা কর্মসূচি প্রকল্প নামে একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

এ প্রকল্পের আওতায় ৬টি বিভাগীয় শহরে নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে ৬টি সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। বর্ণিত প্রকল্পটি বর্তমানে রাজস্বখাতভূক্ত হয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মসূচি হিসেবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে।

নারী শিশু নির্যাতন নিরোধ কমিটি এবং প্রতিরোধ সেল

মহিলা সহায়তা কর্মসূচি                             

১। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল

২। মহিলা সহয়তা কেন্দ্র

কার্যক্রম

নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলঃ ৬টি বিভাগীয় শহরে সকল শ্রেণীর নির্যাতিত মহিলাদের অভিযোগ গ্রহণ, পক্ষদ্বয়ের শুনানী গ্রহণ ও পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে পারিবারিক সম্পর্ক স্থাপন, সমত্মানের ভরণ পোষন, দেনমোহরানা ও খোরপোষ আদায়, সব ধরনের আইনগত পরামর্শ দান করা হয়। সেলে নিযুক্ত উপ-পরিচালক আইনজীবি ও সমাজকল্যাণ কর্মকর্তাগণ এ সকল শুনানী ও পরামর্শ প্রদান করেন। অনিষ্পত্তিকৃত অভিযোগসমূহ সেলের আইনজীবীর মাধ্যমে পারিবারিক ও ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে বাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা হয়।

মহিলা সহায়তা কেন্দ্রনির্যাতিত, দুঃস্থ, অসহায় ও আশ্রয়হীন মহিলাদের ২টি শিশু সমত্মানসহ (অনধিক ১২ বছর) ৬ মাস আশ্রয় সুবিধা প্রদান, কেন্দ্রে থাকাকালীন বিনা খরচে খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসা সুবিধাদি প্রদান, বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

চিকিৎসাঃ সহায়তা কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসারের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী আশ্রয়গ্রহণকারীদের চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়। যে সকল কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার নেই সে সকল কেন্দ্রে বোর্ডারদেরকে সরকারী হাসপাতালের মাধ্যমে চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করা হয়।

 

মহিলা, শিশু কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র গাজীপুর।

কর্মসূচীর নাম

:

মহিলা, শিশু ও কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র, গাজীপুর। |

অবস্থান

 

মোগরখাল মৌজা, গাজীপুর।|

পটভূমি

:

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৬৪% নারী ও শিশু। এই জনসংখ্যার জীবন সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবন্ধকতাপূর্ণ। সামাজিক পরিস্থিতি ও নানাবিধ কারণে মহিলা, শিশু ও কিশোরীদের বিচারকালীন সময়ে নিরাপত্তা হেফাজতে যেতে হয়। এই হেফাজতে থাকাকালীন সময়েও তারা শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। 

আদালতে বিচারাধীন মামলার মহিলা, শিশু ও কিশোরী ভিকটিমরা মামলা চলাকালীন সময়ে যাতে জেলখানার বাইরে নিরাপদ আবাসন সুবিধা সহ তাৎক্ষনিক আইনগত সুবিধা পায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রথমে পাইলট প্রকল্প হিসাবে ২০০১ সালে প্রণীত হয়। এ প্রকল্পের আওতায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের লালমাটিয়াস্থ একটি ভবনে ৬/৭ কক্ষে মাসে ৪০-৪৫ জন হেফাজতী আশ্রয় প্রদানের ব্যবস্থা করা হতো। 

 ২০০১ ইং সনে গৃহীত প্রকল্পটির কার্যক্রম ১ বৎসর পরিচালিত হওয়ার পর এর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অনুধাবন করে এর পরিসর বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে আবাসন কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে পরিচালনার জন্য গাজীপুর জেলার সদর উপজেলাধীন মোগরখাল মৌজায় এক একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। অধিগ্রহণকৃত জমিতে হেফাজতীদের আবাসন ও অফিস কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তিনতলা বিশিষ্ট ডরমেটরী ভবন, একতলা বিশিষ্ট হোস্টেল সুপারের বাসভবন, গার্ডরুম ও ১৬ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট পেরিমিটার ওয়াল নির্মাণ করা হয়। ৩০/০৬/২০০৯ তারিখে গণপূর্ত বিভাগের নিকট হতে ভবন বুঝে নেওয়া হয়েছে। গত ১৭/০৪/২০১১ তারিখে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক আবাসন কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হয় এবং হেফাজতীদের লালমাটিয়াস্থ আবাসন কেন্দ্র হতে মোগরখালস্থ গাজীপুরে আবাসন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে আবাসন কেন্দ্রেটি থোক বরাদ্দ দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে।

উদ্দেশ্য

 

 

 

 

:

 

 

 

 

১। হেফাজতী মহিলা, শিশু ও কিশোরীদের বিচারকালীন সময়ে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা।

২। বিনা মূলে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিনোদনের ব্যবস্থা করা।

৩। নির্ধারিত শুনানীর দিনে নিরাপত্তার সাথে কোর্টে হাজির করা এবং কোর্ট হতে আবাসন কেন্দ্রে ফেরত আনা।

৪। আশ্রয়কালীন সময়ে তাদের দক্ষ জনসম্পদে উন্নীত করার লক্ষ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

৫। কেন্দ্রে অবস্থানকালীন সময়ে শারিরীক ও মানসিক চিকিৎসা সহ সম্ভব্য আইনগত সহায়তা প্রদান করা । 

মহিলা ও শিশুদের মানবাধিকার সমুন্নত রাখা।

   

হেফাজতীদের ধরণ            

:

মূলত কোর্ট হতে প্রেরিত বিভিন্ন মামলার ভিকটিম/হেফাজতীগণ (বাড়ী হতে পালায়ন, হারানো, ধর্ষন, হত্যা মামলার স্বাক্ষী ও অন্যান্য মামলা) অত্র কেন্দ্র হেফাজতী হিসাবে অবস্থান করে। 

কেন্দ্রের ধারন ক্ষমতা    

:

কোর্ট হতে প্রেরিত ১০০ জন হেফাজতীর ধারন ক্ষমতা এ কেন্দ্রের রয়েছে। তিন তলা বিশিষ্ট ডরমেটরী ভবনের ২য় ও তৃতীয় তলায় সর্বমোট ২০ টি রুমে ০৫ জন করে বর্তমানে মোট ১০০ জন হেফাজতী অবস্থানের সুযোগ রয়েছে।

হেফাজতীদের সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা

:

অস্থায়ী কেন্দ্র চলমান থাকা অবস্থায় ডিএমপি কর্র্তৃক ১০ জন পুরুষ পুলিশ সদস্য ও তিন শিফর্টে  ৬ জন মহিলা পুলিশ সদস্য কর্তৃক হেফাজতীদের নিরপত্তা প্রদান করা হতো। বর্তমানে অত্র কেন্দ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার গাজীপুর কর্তৃক প্রেরিত ০৫ জন পুরুষ পুলিশ ও ০২ জন মহিলা পুলিশ সদসের মাধ্যমে হেফাজতীদের নিরপত্তা প্রদান করা হচ্ছে।


Share with :

Facebook Facebook